Free SEO Video Tutrial & SEO Course – SEO Bangla Tutorial

SEO Video

DoFollow vs NoFollow - Link Attributes - UGC and sponsored - HTML rel Attribute

এসইও কাজের একটি বড় অংশের মধ্যে লিঙ্ক এবং একটি সু-নকশিত লিঙ্ক কৌশল অন্তর্ভুক্ত। আপনার ওয়েবসাইটের দিকে ইঙ্গিত করে এমন লিঙ্কগুলি, অর্থাৎ অন্য কোনও সাইটের লিঙ্ক যা আপনার ওয়েবসাইটে যায়। আমরা আগে জেনেছি প্রতিটি লিংক এর ২ ধরনের বৈশিষ্ট্য থাকে। No Follow এবং Do Follow ​Do Follow লিংক বলতে বোঝায় একটি ওয়েবসাইট গুগল ক্রল করার সময় সেখানে কোনো লিংক থাকলে গুগল বটকে ওই লিংকেও ক্রল করতে দেয়। লিংক Dofollow না হলে ​Link Juice পাস হয় না। অর্থাৎ কোনো ওয়েবাসইট থেকে লিংক পেলে সেই লিংক Dofollow না হলে তা থেকে খুব একটা লাভ হয় না।

কীভাবে একটি সঠিক ডোমেইন নাম নির্বাচন করবেন?

ডোমেইন হচ্ছে কোন একটা ওয়েবসাইটের নাম। যেমন www.google.com এখানে www হচ্ছে World Wide Web এর পুর্নরূপ এবং ডোমেইন হচ্ছে google.com . আসুন আর একটু সহজ ভাবে বুঝে নেই। মনে করুন আপনি একটি ব্যবসা নতুন করে শুরু করতে চাচ্ছেন। আপনি তাহলে সর্বপ্রথম যে কাজটি করবেন সেটি হচ্ছে এই ব্যবসার জন্য একটি সঠিক এবং সুন্দর নাম নির্বাচন করা। এবং নাম নির্বাচন করা হয়ে গেলে এবার আপনি চাইবেন নামটা যেন আর কেউই ব্যবহার করতে না পারে এবং এজন্য আপনি এই নামে ব্যবসাটিকে ট্রেড লাইসেন্স করে নিলেন। তাহলে এখন এই নামটি আপনি আপনার ব্যবসার জন্য সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।সাধারণত ডোমেইনের একের অধিক অংশ থাকে। একটিতে নাম অন্যটি এক্সটেনশন। যেমন www.mdanikrahman.com এখানে www হোষ্ট এর নাম, mdanikrahman হল ডোমেইন নাম এবং .com হল ডোমেইন এক্সটেনশন। ওয়েবসাইটের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের এক্সটেনশ হয়ে থাকে। যেমনঃ .com সাধারণত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়। .net এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। .org কোন অর্গানাইজেশন/সংগঠন এর ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়। .info ব্যক্তিগত অথবা তথ্যভিক্তিক ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত। .me সাধারণত পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায়

ওয়েবসাইট তৈরির পর আমরা প্রথমেই যে জিনিসটার উপর গুরুত্ব দেই তা হলো ভিজটির। ভিজিটর ই মূলত একটি ওয়েবসাইটের প্রান। আজকে আমরা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানো এবং ভিজিটর ধরে রাখার কয়েকটি অব্যার্থ উপায় সম্পর্কে জানবো। ​আসুন তবে শুরু করা যাক।​ প্রথমে আসুন জানি , সাইটে ভিজিটর কিভাবে নিয়ে আসা যায় সোশ্যাল মিডিয়া একটি ওয়েবসাইট যখন নতুন তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই আপনার ওয়েবসাইটের টার্গেট ভিজিটরদের কাছে পৌছানোর সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া। এক্ষেত্রে আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, স্নাপচ্যাট, রেডিট সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ভিজিটর ডাইভার্ট করে আপনার ওয়েবসাইটে নিতে পারেন। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটই খুব ভালো পজিশনে যেতে পারে না। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৯ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পেন্ড করে। যেখানে একজন পূর্ন বয়স্ক মানুষ দিনে ইউটিউবে ৪০মিনিট, ফেসবুকে ৩৫ মিনিট, স্নাপচ্যাটে ২৫মিনিট, ইন্সটাগ্রামে ১৫ মিনিট এবং টুইটারে ১ মিনিট সময় ব্যায় করে। এ থেকে বুঝে নেয়া যেতে পরে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ন। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন নতুন কিংবা পুরনো যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটেই ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম প্রধান একটি উপায় হতে পারে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। সার্চইন্জিন গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করি, সার্চ রেজাল্টে প্রথমে যে ওয়েবসাইট গুলো আসে সেখান থেকে প্রথম ২-৩ টা ওয়েবসাইট ই আমরা সাধারনত ভিজিট করে থাকি। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের উপরে তুলে আনা। তবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ব্যাপ্তি অনেক বড়, এটি শুরু করার আগে অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন। ফোরম পোষ্টিং / প্রশ্ন-উত্তর সাইট ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার অরেকটি চমৎকার উপায় হলো ফোরাম পোষ্টিং এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইট। ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে। সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফোরাম সাইট কিংবা প্রশ্ন-উত্তর সাইট গুলোতে উত্তর দেয়ার সময় সেটা যেনো সঠিক নিয়মে করা হয়। অনেক ফোরাম সাইট আছে যেগুলো অন্য ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা পছন্দ করে না। তো এসকল সাইটে কাজ শুরু করার আগেই আপনাকে এদের নিয়মগুলি ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে। ভিডিও মার্কেটিং ভিডিও মার্কেটিং হতে পারে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে পাঠিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো যেতে পারে। https://www.youtube.com https://vimeo.com http://www.ustream.tv https://vine.co http://www.hulu.com

What is Keyword Density Keyword Density Formula What is Keyword Frequency

কীওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density) বলতে ওয়েবসাইটের পেজে বা পোষ্টে নির্দ্দিষ্ট এক বা একাধিক শব্দের ব্যবহারকে বোঝায়। কীওয়ার্ড ডেনসিটিকে % হিসেবে গননা করা হয়। Keyword Density ​কীওয়ার্ড ডেনসিটি SEO তে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে, কীওয়ার্ড ডেনসিটি বেশি বা কম ২টাই সমস্যা। তাই আর্টিকেল লেখার সময় কীওয়ার্ড ডেনসিটি ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। যদিও বা এখানে ​কীওয়ার্ড ডেনসিটির সঠিক মান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে আমি মনে করি ​কীওয়ার্ড ডেনসিটি ১%-২% এর মধ্যেই থাকাটা ভালো।

What is XML Sitemaps? How to Create an XML Sitemap | Register a Sitemap with Google

একটি ভাল এক্সএমএল সাইটম্যাপ আপনার ওয়েবসাইটের রোডম্যাপ হিসাবে কাজ করে, যা আপনার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পেইজগুলিতে Google কে পৌছাতে সাহায্য করে। ​আপনি অবশ্যই চাইবেন যে গুগল আপনার ওয়েবসাইটের সকল গুরুত্বপূর্ণ লিংকগুলিকে ক্রল করুক এবং ইনডেক্স করুক। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন অনেক পেইজ থাকে যেগুলি কোনো ইন্টারনাল লিংক ছাড়াই থাকে, ঐসকল পেজকে খুজে পাওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। XML Sitemap আপনার ওয়েবসাইটের সকল গুরুত্বপূর্ণ লিংকগুলিকে লিষ্টকরে গুগলের কাছে সাবমিট করে, যার ফলে গুগল সহজেই সব পেজগুলিকে ইনডেক্স করতে পারে।